যে অভ্যাসগুলো আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংস করছে ।

মনে হয় চাকুরী পাওয়ার পর অনেক বাঁচা বাঁচলাম।আর কোন চিন্তা নেই। আসলে কি তাই ? আপনার ক্যারিয়ারকে উন্নতি করতে চাইলে এমন চিন্তা কখনও করবেন না।আপনার নিজেকে সচেতন থাকতে হবে ।কিছু কিছু অভ্যাস থাকে যেগুলো খুব খারাপ সেইগুলো বদলাতে হবে। এই অভ্যাসগুলো আপনার ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে দিবে নিমেশেই।

 

একটি তথ্য অনুযায়ী যে তালিকা দেওয়া হয়েছে তা নিচে আমি আলোচনা করলাম। অবশ্যই এগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

১। আপনি যে অফিসে চাকুরী করেন সেই অফিসে সবকিছুতে হ্যাঁ বলবেন না। কারণ কি জানেন ? কারণ হচ্ছে সব কিছুতে হ্যাঁ বলটা খুব খারাপ।এতে আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংশ হয়ে যেতে পারে। তবে এটি ঠিক যে, হ্যাঁ বললে আপনার কলিক বা আপনার স্যার আপনার অনে খুশি হবেন, কিন্তু ক্যারিয়ার বাঁচাতে চাইলে না বলতে শিখুন।
২। অফিসে অনেক ই-মেইল পাঠাতে হয়। আপনি যে ই-মেইলগুলো লিখবেন তা ছোট করে লিখুন। ই-মেইলে কোন অপ্রয়োজনীয় ভাষা ব্যবহার করবেন না।এতে করে পাঠক বিরুক্তি হয়।

৩।আপনার অফিসে অপনি যদি একজন দক্ষ কর্মী হন, তাহলে আপনার আন্ডারে যে সকল কর্মী থাকবে তাদের অবহেলা করবেন না। এটি নিয়ে আপনার ব্যপারে অনেক সমালচনা হবে। যার ফলে আপনার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে।আপানার আন্ডারের কর্মীদের প্রতিটা কাজের গুরুত্ব দিন।

৪। অফিসে কোন ভাবেই সাদামাটাভাবে চাকুরী করবেন না। কথায় বলে সাদামাটা লোকদের কোন মূল্য নেই আপনি যদি সাদামাটা ভাবে থাকেন তাহলে আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।সঠিক ভাবে থাকার চেষ্টা করুন কিন্তু যা খুশি তা করবেন না।
৫। অফিসে কারও সাথে দূরব্যবহার করবেন না। যতটা সম্ভব সকলের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন।কারণ দূরব্যবহার আপনার ক্যারিয়ারকে ধ্বংশ করবেই।

৬।যে কাজগুলো আপনার সেই সকল কাজগুলো সঠিক সময়ে শেষ করুন। শেষ মুহূর্তে কাজ শেষ করার চেষ্টা করবেন না, এতে করে বস আপনার উপর অসুন্তষ্ট হবেন। আর বস যদি আপনার উপর অসুন্তষ্ট হয় তাহলে আপনার ক্যারিয়ার সেই খানেই শেষ।

৭। আপনি যে বিষয়ে কাজ জানেন না বা সিরিয়াস না সেই সকল বিষয়ে কোন কমেন্ট করবেন না।এতে করে আপনার ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে।

৮।অফিসে আপনি জোরে জোরে গান শুনবেন না।অথবা আপনি সবসময় কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনবেন না। এতে করে আপনার সহকর্মীরা বিরক্ত হবে। এতে করে আপনি সবার কাছে আপনার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবেন।
৯। অফিসে সবসময় স্যোসাল নেটওয়্যার নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না। আপনার যে কাজই থাক আপনি সেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকুন।আপনি সব সময় ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকলে সহকর্মীরা আপনার বসের কনে নালিশ দিতে পারে। তাই সাবধান হয়ে যান।
১০। কোন মতেই সহকর্মীদের সাথে বিদ্যেশ মুলক আচরন করবেন না। শুধু তাই না সহকর্মীদের কথা বসের কাছে নালিশ করবেন না। এত করে বস আপনার উপর তাৎক্ষনিক খুশি থাকলেও ক্যারিয়ার আপনার নষ্ট করে দিবে।

১১। সহকর্মীদের কথা বা বসের কথা অবশ্যেই মনোযোগ দিয়ে শুনুন। কারণ যে কথা গুলো বলছে অবশ্যই অফিসিয়ার কাজের কথা। আপনি যদি অমনোযোগী হন তাহলে ক্যারিয়ার ধ্বংশ এটি আপনি লিখে নিতে পারেন।
১২। আপনি যে দ্বায়ীত্বই পালন করুন না কেন আপনাকে অবশ্যই ফিট ফাট হয়ে অফিসে আসতে হবে। এতে করে কর্মদক্ষতা আরও বেড়ে যাবে। আপনি ফিট হয়ে চলতে আপনার প্রতি আকর্ষনটাও বেড়ে যাবে।যদি আপনি তা না করেন ক্যারিয়ারে একটু হলেও ক্ষতি হবে।
১৩। আপানর অফিসে কোন রকম ভাবে বস বা সহকর্মীদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিবেন না।মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আপনি রক্ষা করতে পারবেন না। এতে করে ক্যারিয়ার ধ্বংশ হবেই।

১৪। চাকুরী যদি আপনার ভালো না লাগে তা হলে ছেড়ে দিন। তবে এই কথাটা মনে রাখবেন যে, চাকুরী ছাড়ার পর অফিসের বদনাম করবেন না। এতে করে আপনি কথাও নিজেকে ভালো দেখাতে পারবেন না।

১৫। অফিসে ফোনের রিংটোন সাইলেন্ট করে রাখুন। আপার দেওয়া রিংটোন অন্য কারও ভালো নাও লাগতে পারে।
প্রিয় টিউনার পোষ্টটি হয়তো আপনার জীবনে অনেক কাজে আসবে। লেখাটি ভালো লাগবে সবার মাঝে শেয়ার করে দিতে পারেন।

 

ভালো থাকবেন সবাই।

টেকস্পট এর সাথে থাকুন

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *